দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন শ্রমবাজারে কাজের সুযোগ খুঁজছেন বাংলাদেশিরা। এবার তাঁদের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড। কৃষি ও নির্মাণ খাতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে থাইল্যান্ডে কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্যও। তবে এখনো নিয়োগের সংখ্যা, বেতন ও আবেদনপ্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি।
গত ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত থাইল্যান্ডের শ্রম নীতিবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে নতুন তিনটি দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। দেশটির কৃষি ও নির্মাণশিল্পে দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিক সংকট রয়েছে। এর ফলে উৎপাদন কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে চাপ তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে গিয়ে নতুন দেশ থেকে কর্মী আনার উদ্যোগ নিয়েছে থাই সরকার।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে সম্ভাব্য শ্রমিকের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে শ্রমিকের ঘাটতি পূরণ, অন্যদিকে কর্মী নিয়োগের উৎস আরও বিস্তৃত করতে চায় দেশটি।
তবে নতুন এই শ্রমবাজারে বাংলাদেশ থেকে ঠিক কতজন কর্মী নেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। নিয়োগের কোটা ও অন্যান্য শর্তও চূড়ান্ত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে প্রথম দফার কর্মীরা থাইল্যান্ডে যেতে পারেন। এরপর বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কৃষি ও নির্মাণ খাতে বিদেশে কাজের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর শ্রমবাজারের বাইরে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তবে আগ্রহী কর্মীদের এখনই কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের আগে সতর্ক থাকা জরুরি। থাইল্যান্ডে কর্মী নিয়োগের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি, ভিসার ধরন, বেতন, যোগ্যতা ও আবেদনপ্রক্রিয়া প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চাকরির নিশ্চয়তা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করাই হবে নিরাপদ পদক্ষেপ।
এমএম/